২০০৮ সালে নোবেল বিজয়ী চার জাপানী
২০০৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জিতেছেন দুই জাপানি এবং এক জাপানী আমেরিকান বিজ্ঞানী। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমী অব সায়েন্সেস জানিয়েছে, তোশিহিদে মাসুকাওয়া, মাকোতো কোবায়াশি ও ইয়োইচিরো নামবু,

Muhammad Yunus
EXCLUSIVE: SO LONG ...
Real line line line line line EXCLUSIVE...
বৈশাখী মেলার পিকনিক

পি.আর.প্ল্যাসিড
// জাপান বাংলা প্রেস// টোকিও বৈশাখী মেলা আয়োজকদের উদ্যোগে গত ৩১শে আগস্ট ’০৮ রবিবার কাসাই রিংকাই কোয়েন এ মেলার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে পুনর্মিলনী ও বনভোজন এর আয়োজন করা হয়। সমুদ্র পাড় ঘেষে বিশাল আয়তনের এই কোয়েন (পার্ক) এ বাবেকিউর জন্য নির্ধারিত স্থানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই শতাধিক বাংলাদেশীর সমাগম হয়। পিকনিক স্থানে বাংলা গান, ছেলে মেয়েদের হৈ চৈ, সমুদ্রের পানিতে ঢেউ এর নাচন সবমিলিয়ে পরিবেশ হয়েছিল ফুরফুরা মনে আনন্দে ভরা। মেলার একজন কো-অর্ডিনেটর হাসান জানান, সকাল ৬টার সময় এসে স্থান দখল করছেন। ১০টার পর থেকে ছেলেমেয়ে নিয়ে বিভিন্ন পরিবারের সদস্য আসতে শুরু করেন।

পিকনিকের সবচেয়ে আকর্ষন ছিল বড়দের ফুটবল খেলা ও বিংগো খেলা। তাছাড়া বাচ্চাদের আনন্দ দেবার জন্য বিশেষ স্পোর্টস এর আয়োজন করা হয়। মহিলাদের জন্য ছিল চোখ বেধে তরমুজ ভাঙ্গার প্রতিযোগিতা। ফুটবল খেলাটি হয় লাল ও সবুজ দলের মধ্যে। বড় বড় ঘাসের উপর যেখানে খালি পায়েও হাটা মুসকিল, তার উপর ফুটবল খেলা ছিল দুরুহ ব্যাপার। তার পরেও দর্শকের অনুপ্রেরণায় কমলা ও সবুজ রং এর জার্সি পড়া লাল সবুজ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে বল নিয়ে দৌড়ানো এবং বল নিজেদের আয়ত্বে রাখার প্রতিযোগিতা সত্যিই ছিল আনন্দদায়ক। খেলার শুরুর ১০মিনিটের মাঝে লাল দলের পক্ষে গোল করেন টোকিওর হেলাল। খেলা শেষ হবার কয়েক মিনিট আগে বাবু ঢালী সবুজ দলের পক্ষে গোল করে খেলায় সমতা আনেন। খেলার মাঠের উত্তেজনা আর দর্শকদের সমর্থন, হৈ চৈ দেখে মনে হয়েছে কোন আন্তর্জাতিক খেলা চলছে যেন সমুদ্রের পাড়ে।

সবশেষ সন্ধ্যা নেমে আসতে শুরু করলে শুরু হয় বিংগো খেলা। খেলাটি পরিচালনা করেন সুখেন ব্রহ্ম্য । তাকে সহযোগিতা করেন এনামুল হক কাজী, হোসাইন মুনির, আজগর আহম্মেদ সানি। মাইকে bv¤^vi ঘেষনা করেন মেলার প্রধান আয়োজক শেখ আলীমুজ্জামান। বিংগো খেলার ১ম ২য় ও ৩য় পুরুস্কার অর্জনকারী যথাক্রমে- মোঃ আনোয়ার, নাজমুল ইসলাম রতন ও মিসেস মনি(কাকলী ভাবী)

দুপুরে খাবার চলাকালে একপর্যায় কাড়ি শেষ হয়ে গেলে শুরু হয় গুণজন। কয়েকজন জটলা পাকিয়ে আলোচনা করছিলেন ২০০ লোকের খাবারের অর্ডার করা হলেও সোয়াশো লোক খাবার পরেই কাড়ি শেষ হয়ে যায়। এ নিয়ে রেষ্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে দোষারূপ করে বলেন, মাংস কম ছিল। কাড়ি যে পরিমান ছিল তা অবশ্যই ৪০কেজি মাংসের কাড়ি নয় । ইত্যাদি ইত্যাদি । অপর দিকে রেষ্টুরেন্ট মালিক আলো নাকী তার পুরো পাওনা দাবী করে বসেন। এ সব আলোচনা নেতৃস্থানীয়দের মাঝে বেশ জমে উঠেছিল। সবমিলে পিকনিক সত্যিই আমাদের দেশীয় ষ্টাইলে সম্পন্ন করা হয়। উপভোগ করেন সবাই মন ভরে।

(সূত্রঃ বিবেক বার্তা ডট কম)









#####



Copyright 2008 © JapanBanglaPress Online
All rights reserved.